আগুন প্রতিরোধে আমাদের করনীয়।

আগুন
শীতকালে আমাদের দেশে অগ্নীকাণ্ড তুলনামূলক বেড়ে যায়।
তাই এই সময়ে অগ্নী সচেতনতা বাড়ানো উচিত।
বাসা বাড়ি দোকান পাট কলকারখানা গুলোতে যত অগ্নীকাণ্ড হয় তার বেশীরভাগেই ঘটে মূলত সচেতনতার অভাবে।

গত ১৩ বছর যাবত তৈরী পোশাক কারখানায় ইউটিলিটি/ প্রকৌশলী পদে কাজ করে আসছি। আমার কর্মস্থলে আমি ফায়ার ফাইটার টিমের প্রধান। বিভিন্ন সময়ে অগ্নী প্রতিরোধে আমার কিছু অভিজ্ঞতা সৃষ্টি হয়েছে।
আমি তা আপনাদের সংগে শেয়ার করবো। আশা করছি আপনাদের এতে উপকার হবে।
মনে রাখবেন আপনী যেখানে থাকুন যেই পেশায় থাকুন আগুন কিন্তু আপনার পাশেই আছে। তাই সচেতন এবং অগ্নী প্রতিরোধে আপনার বাস্তব প্রশিক্ষন থাকা জরুরী।

কয়েক বছর পূর্বে নিশ্চিন্তপুরের অগ্নিকাণ্ডর ঘটনাটি নাড়িয়ে দিয়েছিল আমাদের সবার হৃদয়।
দুবেলা পেট পুরে ভাত খাবার আশায় গামের্ন্টসে কাজ করতে আসা দেশের পিছিয়ে পড়া গরীব মানুষ গুলির পুড়ে কয়লা হয়ে যাওয়া সারি সারি লাশের মিছিল দেখে শোকে কাতর হয়েছিল দেশবাসি।
গামের্ন্টস কর্মীদের এমন মৃত্যুতে আমাদের দেশের ভাবমূর্তী নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। গামের্ন্টস শিল্পেও নিয়ে এসেছিলো বিপর্যয়।
প্রতিবছরে ঘটছে এমন অগ্নীকান্ডের ঘটনা । বিশ্ব মিডিয়ায় আমাদের নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা হচ্ছে । মানুষ পুড়ে কয়লা হওয়ায় নিন্দিত হচ্ছে পোশাক কারখানার মালিক।
অনেকেই অভিযোগ বলছে মালিকদের অর্থ লিপ্সা আর অবহেলার কারনেই ঘটেছে এমন দুঃঘটনা।

ঘটনার পর রাজপথ অবরোধ করে শ্রমিকরা মালিকদের বিচার দাবী করছে। কর্ম বিরতী করেছে। তাজরীন ফ্যাশনের মালিক কে জেলে যেতে হলেও এক সময় সে বেড়িয়ে আসছে আইনের ফাক গলে।
নির্মম সত্য হল এইদেশে সরকার এবং বিরোধী দলউভয়েই বিত্তবান শিল্প মালিকদের উপর বিভিন্ন ভাবে নির্ভরশীল। তাই তাজরিন ফ্যাশনের মালিক পক্ষের কোন বিচার হওয়ার সম্ভবনা দেখছি না। আমি এই ব্যাপার নিয়ে লিখতেও চাচ্ছি না।

এই ঘটনায় সরকার একদিনের শোক ঘোষনা করেছিল। বন্ধ ছিল সকল তৈরী পোশাক কারখানা। জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত ছিল। টিভিতে সরকারের শোকবানী ছিল। ছিল পত্রিকায় আগুনের রঙ্গিন ছবি। আরপুড়ে যাওয় মানুষের কয়লার ছবি। স্বজনদের চিৎকার ভাসতে ছিল বাতাশে।
টিভি পর্দায় তাদের বিলাপ দেখে আমার মত হাজারটা পরিবারের মানুষ কেঁদেছে। সারা দেশের মানুষ শোকেকাতর হয়েছে।
তবে বাস্তবতা হল এসবকিছুই প্রভাব ফেলবে না নিহতদের পরিবারে।
মানুষের মৃত্যুর শূন্যতা কখনোই পূরন হয়না।
উর্পাজন করা মানুষ গুলোর মৃত্যুতে অনেক পরিবারকে ভিক্ষা বৃত্তি বেছে নিতে হবে। তাদের সন্তানদের ভবিতষ্যত হয়েছে অন্ধকার। এক কথায় মৃত্যুরএই ক্ষতি অপূরনীয়।

পোশাক কারখানায় আগুন লেগে এই পযন্ত সরকারি হিসেবে নিহত হয়েছেন ৪৫৭ জন আর আহত হয়েছেন বহু মানুষ। কিন্তু সরকারের এই পরিসংখানের চেয়েও কয়েক গুন বেশী মানুষ আগুনে মারা গিয়েছে।

মিডিয়ায় আলোচনা হয় ফায়ার সার্টিফিকেট নিয়ে। ভবনের নকশা নিয়ে। বাস্তবতা হলো সরকারী দপ্তরে কোন ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে হলে আপনাকে পয়সা খরচ করার সার্মথ থাকলেই হয় ।
যেকোন সার্টিফিকেট ক্রয় করা যায়। তাই এসব দলীল নিয়ে মাথা ঘামানো নিরর্থক।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গামের্ন্টস ভবন পরিদর্শন করে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তা ভয়াবহ।
বেশীর ভাগ ছোট আর মাঝারী গামের্ন্টস গুলি গড়ে উঠেছে আবাসিক ভবনে! যেখানে ফায়ারকোড মানা হয়নি।
অনেক কারখানায় ইলেকট্রিক সঞ্চালক লাইনের ক্যাবল গুলো লোড ক্যালকুলেশন করে সংযোগ দেওয়া হয়না। অথাৎ একটি ফোর আরএম ক্যাবল সর্বোচ্চ্য চল্লিশওয়াট লোড নিতে পারবে কিন্তু দেখা গেল সেই ক্যাবলে ৬০ ওয়াট লোড দেওয়া হয়েছে!
এ্যাম্পিয়ার হিসাবকরে সঠিক মাপের ব্রেকারও লাগানো হয়না। যার কারনে ওভার লোড বা সট-সার্কিট হলে এমসিসিবি ব্রেকার গুলো কাজ করছে না। ডিবি বোর্ডগুলো নিয়মিত চেকআপ করাও হয়না। ধুলো বা পোকা মাকড়ের কারনেও ঘটতে পারে অগ্নীকান্ড! আর সার্কিট ব্রেকার গুলোর ক্ষমতানুযায়ী লোড দেওয়া না হলে তার থেকে ভাল পারফরমেন্স পাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
আর আগুন লেগে গেলে প্রাথমীক পর্যায় কি করতে হবেসেটাও জানেনা অনেক কর্মী। ফলে যেই আগুন শুরুতেই নেভানো যেতো সেটা বেড়ে বহুজানমালের ক্ষতি সাধন করে।
অনেক কারখানায় প্রর্যাপ্ত অগ্নী নির্বাপক সরঞ্জামও নেই। যা আছে সেটার ব্যাবহার প্রনালীও জানেনা বেশীর ভাগ কর্মী ! জানবে কেমন করে ? নিয়মিত অগ্নি মহড়া হয়না। বেশীর ভাগ কারখানায় ফায়ারফাইটার কাগুজে। বায়ারদের খুশী করতে ডকুমেন্ট ঠিকঠাক রাখা হয়। মহড়া না করিয়েও ভুয়া ছবি যুক্ত করা হয়!

অনেক প্রতিষ্ঠানেই দেখেছি আগুন নেভাবার পরে দেয়ালের সংগে ঝুলে আছে আগুন নেভানোর কাজে ব্যাবহার করা কেমিক্যালের বোতল!

অগ্নি প্রতিরোধে ভাল বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং এর ভূমিকা অপরিসিম। ফ্লোরের লোড ক্যালকুলেশন করে তারপর একজন দক্ষ প্রৌকশলীর তত্বাবধানে ওয়্যারীং করার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়না। প্রয়োজনীয় ভাল মানের ইলেকট্রিক সরঞ্জামও ব্যবহার করা হয়না।
বাস্তবতা হলো এরকম অনেক কারখানা রয়েছে যেখানে ভাল মানের ইলেকট্রিসিয়ান পযন্ত নেই। নেই কোন ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার!

পোশাক করাখানা গুলির আরেকটা সম্যসা হল সেখানে সময়ের খুব সংকট। দেখা গেল অনেক সময় জরুরী শিপমেন্টের জন্য বাইরে থেকে মেশিন ভাড়া করে অথবা ষ্টোর থেকে অতিরিক্ত মেশিন এনে ফ্লোরে বসিয়ে দেওয়া হয় সর্ম্পূন্য অপরিকল্পিত ভাবে। ইলেকট্রিসিয়ানরা পোড্রাকশন ম্যানেজার এর চাপে মেশিনে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়।
ফ্লোরের লোড তখন বিবেচনা করা হয়না। ব্রেকার অফ হয়ে যায়। তখন ব্রেকার চেঞ্জ করে আরো বেশি এ্যাম্পিয়ার এর ব্রেকার লাগানো হয়। যার ফলে ক্যাবল উতপ্ত হয়। এবং ক্যাবলের টেম্পারনষ্ট হয়ে এক সময় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। অনেকে আমার পয়সা বাচাতে নিম্ন মানের সরঞ্জাস ব্যবহার করেন।

এরকম নানা প্রতিকুলতা রয়েছে।
অনেক বড় বড় কারখানা রয়েছে যেখানে ঝকঝকে তকতকে ফ্লোর রয়েছে কিন্তু বিদুৎ লাইনে সঠিক মাপের বা মানেরসরঞ্জাম নেই। আর এসব মনিটর করার জন্য নেই কোন সংস্থা!

প্রতিটি মেশিনেরই ধারন ক্ষমতা রয়েছে। কত ঘন্টা চলবে তারও সিমা আছে। কিন্তু কাগজে কলমে সকাল আট থেকে পাচটা পযন্ত কারখানা কর্ম ঘন্টা লেখা থাকলেও বাস্তবতা হল বেশির ভাগ পোশাক কারখানা চলে রাত বারোটা থেকে তিনটা পযন্ত!
মেশিন বা কর্মী কারোই প্রযাপ্ত বিশ্রাম নেই!

এমনকি জরুরী মেইনটেন্সকরার সময়ও দিতে চায় না উৎপাদন কর্মকর্তারা! তারা চায় শুধু প্রডাকশন।

এ নিয়ে অবশ্য গত ১২বছরে আমাকে অনেক কষ্ট আমাকে করতে হয়েছে। আমি কখনোই ব্রেক ডাউন নিয়ে কম্প্রমাইজকরতে রাজি হইনি। আমার সিডিউল মত আমি আমার কর্মস্থানে মেইনট্যান্স করি। প্রতিটি ইলেকট্রিক সরঞ্জাম চেক করা হয়। লুজ ওয়্যারিং হারাম করে দিয়েছি। ডিবি বোর্ডগুলি ভার্মেনপ্রুফ করে দিয়েছি। ১০০% কম্পায়েন্স করা হয়েছে। কিন্তু অনেকেই এসব টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলি এড়িয়ে যাচ্ছে। যা জানমালের জন্য চরম ঝুকিপূর্ন।

ইলেকট্রিক ডিবিবোর্ড গুলোর ভেতর যে ব্রেকার থাকে তাও নিয়মিত চেক করা দরকার যাতে কোথাও লুজ না থাকে। অনেক সময় টিকটিকি বা ইদুরও যদি প্যানেলের ভিতর ঢুকে পড়ে তাহলেও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। তাই প্রয়োজন ভাল মানের টেনিং প্রাপ্ত টেকনেশিয়ান। যা অনেক পোশাক কারখানায় নেই।

পোশাক কারখানার মালিকদের ধর্ম হল তারা ইউটিলিটি কর্মীদের তেমন গুরুত্ব দেয়না। তাদের দরকার শুধু প্রডাকশন!
এইজন্য অনেক প্রতিষ্ঠানেই প্রকৌশলীরা স্বাচ্ছন্দে কাজ করতে পারে না।

আগুন একবার লাগলে তা রুখে দেওয়া অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু সচেতন থাকলে আগুন প্রতিরোধ করা খুবই সহজ। আমি ফায়ার ফাইটার হিসেবে ৫দিনের সরকারী ট্রেনিং নিয়েছি। একটু চেষ্টা করলে আপনিও একটি ট্রেনিং নিতে পারেন।

কর্মকালীন সময় কোন ভবনের গেটে তালা ঝুলানো অমানবিকই নয় বরং এটা একটা অপরাধ। অনেক পোশাক কারখানায় যেদিন বায়ারদের ইন্সপেকশন হবে সেদিনই কেবলতালা খুলে রাখা হয়,অন্যথায় গেট তালা বন্ধ থাকে।
সরকারের উচিৎ এই সব বিষয় নিয়ে এ্যাকশনে যাওয়া। অবশ্য গত ১২ বছরের ক্যারিয়ারে একমাত্র ঘুস সংগ্রহ করা ছাড়া অন্য কোন কাজে সরকারী কর্মকর্তাদের আমি তেমন একটা তৎপর হতে দেখিনি। যাদের এসব দেখার কথা তারা ঈদ আর পুজা র্পাবনে গিয়ে মোটা অংকের টাকা সংগ্রহ করে।

এখন বিদ্যুতিক লাইনের সুরক্ষার জন্য অনেক আধুনিক সরঞ্জাম বাজারে পাওয়া যায়। কারখানার মালিকের সদ্বিচ্ছা থাকলে আগুন প্রতিরোধে অনেক ভাল ভাল ব্যাবস্থা রয়েছে। প্রতিটি ডিবিবোর্ডেই স্মোক ডিটেকটর লাগানো দরকার। ডিজিটাল ফায়ার অ্যালাম,পযাপ্ত পানির ব্যবস্থা করা দরকার। আপদকালীন সময়ের জন্য আলাদা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা থাকা দরকার।

আসুন এবার জেনে নেই আগুন প্রতিরোধে আমাদের করনীয়।

বৈদ্যুতিক ফিটিংস মাসে অন্তত একবার পরীক্ষা করতেহবে এবং প্রয়োজন হলে পুরাতন ফিটিংস পরিবর্তন করতে হবে।
সকল বৈদুতীক মেশীন বা যন্ত্রপাতিতে আর্থিং এর ব্যবস্থা করতে হবে।
রাসায়নিক পদার্থ এবং জ্বালানী পদার্থ ব্যবহারেরক্ষেত্রে অভিজ্ঞ লোক নিয়োজিত রাখতে হবে।
প্রতিষ্ঠানে ধুমপান সম্পূর্ণ নিষেধ করতে হবেঅথবা ধুমপানের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখতে হবে।
প্রতিষ্ঠানের সকল স্থান আবর্জনামুক্ত রাখতে হবে।§
অগ্নি সচেতনতার জন্য প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে অথবা প্রশিক্ষিত ফায়ারম্যান নিয়োগ করতে হবে।
আপনার প্রতিষ্ঠানে যথোপযুক্ত অগ্নি নির্বাপণযন্ত্র মজুদ রাখতে হবে, সেগুলো সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনার জন্যনির্দিষ্ট প্রশিক্ষিত অভিজ্ঞ লোক রাখতে হবে । অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্রগুলো সব সময়কার্যক্ষম রাখতে হবে, যাতে জরুরী অবস্থায় অকেজো না হয়।§
প্রতিষ্ঠানে প্রচুর পানি মজুদ রাখুন।
অফিস/মিল ফ্যাক্টরী/ শিল্পকারখানায় প্রতি মাসে একবার অগ্নি নির্বাপন মহড়ারব্যবস্থা করুন।
আপনার প্রতিষ্ঠানেকঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

অপ্রয়োজনীয় ডকুম্যান্ট/কাগজপত্র একটা নির্দিষ্ট মেয়াদশেষে পুড়ে ফেলুন।§
প্রতি বছর নিয়মিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সবিভাগের অভিজ্ঞ অফিসার দ্বারা অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র পরীক্ষা করিয়ে আপটুডেট রাখুন, যাতে আগুন লাগলে সেগুলো অগ্নিনির্বাপনের সময় যথার্থ ভুমিকা রাখতে পারে।
জরুরী অবস্থায় অর্থাৎ কোন অগ্নী দুর্ঘটনা ঘটলে সূচনাতে অগ্নী নির্বাপন যন্ত্রের সাহায্যে তার মোকাবেলা করার জন্য স্টাফদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট লোক বাছাই করে ফায়ার ফাইটিং টিম গঠন করতে হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগলে প্রথমে বৈদ্যুতিক মেইন সুইচ বন্ধ করুন এবং সাথে সাথে ১৯৯ বা ৯৫৫৫৫৫৫ নাম্বারে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিলডিফেন্স কন্ট্রোল রুমে আগুনের সংবাদ দিন এবং নিজস্ব অগ্নি নির্বাপন টিমের সদস্যদেরদ্বারা ছোট অবস্থায় আগুন নিভানোর চেষ্টা করুন ।§

জরুরী অবস্থায় লোক অপসারনের জন্য অবশ্যই ইমারজেন্সী একজিট রাখতে হবে, যাতে সে পথ দিয়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ ভাবে লোক অনায়াসে বের হয়েযেতে পারে।§
গায়ের কাপড়ে আগুন লাগলে দৌড়াদৌড়ি না করে মাটিতে গড়াগড়ি দিন।§
চুলার উপর ভেজা লাকরী বা কাপড় সুখাতে দেবেন না।§
রান্না শেষে গ্যাসের চুলা নিশ্চিতভাবে নিভিয়েফেলুন।§

অনেক সময় গ্যাসের চুলা নিভানোর পরও গ্যাস লিক করতে পারে এবং রান্না ঘর গ্যাসে ভরে যেতে পারে। ফলে পরদিন সকালে চুলা জ্বালাতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এজন্য গ্যাসের চুলা মাঝে মাঝেই পরীক্ষা করুন ঠিক আছে কী না।
সর্বোপরি আগুন সম্পর্কে সাবধান হোন। ভাল থাকুন।